Translate

মঙ্গলবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৩

৫ টি যৌন সমস্যার স্হায়ী সমাধান

৫টি প্রধান যৌন সমস্যা সমাধান ১ টি পেকেজ এ 

 যেমন 
★লিঙ্গ উত্থানজনিত সমস্যা, ★দ্রুত বীর্যপাত সমস্যা, 
★যৌন মিলন বা যৌন আগ্রহের অভাব, 
★বীর্যে শুক্রের পরিমাণ কমে যাওয়া এবং মানসম্পন্ন না থাকা, 
★টেস্টোস্টেরন হরমোন ঠিক না থাকা এর ন্যাচারাল সমাধান!
★যৌবন কালে শরীরের উপর অযাচিত অকল্পনীয় অত্যাচার করার ফলে বিবাহ করতে ভয় পাচ্ছেন এমন রুগি।

.
এ ৫ টি সমস্যার সমাধান করতে  আপনি শেষ চিকিৎসা মনে করে একটি পেকেজ 
ব্যবহার করতে পারেন। 

এ পেকেজে যা থাকছে 
★ ২ প্রকারের কেরামতি হালুয়া ৫০০ গ্রাম  কোটায়  ২ কেজি। ৫০ দিন সেবন করতে হবে। 
★ কেরামতি  বটিকা ৫০ পিস ৩ মাস 
★ কেরামতি ওয়েল ৪ টি ড্রপ সেবন করার জন্য ৫০ দিন সেবন করতে হবে। 
★ কেরামতি তৈল মালিশের জন্য। ৪৫ দিন যাবে

 দাম মাত্র  ৩৬০০ টাকা সার্ভিস সার্জ সহ।

 ক্যাশঅন ডেলীভারী সিস্টেম। 

তবে সিকিউরিটি  হিসাবে ৩০০ টাকা অগ্রীম বিকাশ পেমেন্ট করতে হবে।

অর্ডার নিশ্চিত করতে বা বিস্তারিত যে কোনো তথ্যের জন্য  
০১৮২৯৩১৮১১৪

রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২২

অর্শ পাইলস পিস্টোলা ভগন্দর রোগে রুপার আংটি পড়া

রুপার আংটি পড়া 

অনেকে একটি দূরারোগ্য ব্যধিতে ভূগছেন যার নাম অর্শ পাইলস পিস্টোলা ভগন্দর  ইত্যাদি নামে পরিচিত। 

হয়তো অনেকে অনেক চিকিৎসা ও নিয়েছেন বা নিচ্ছেন,  তবে এর পাশাপাশি  একটি আধ্যাত্বিক ক্যাটাগরির চিকিৎসা  তাহলো রুপার আংটি পড়া ব্যবহার করে দেখতে পারেন। 
আশা করি আল্লাহ  নৈরাশ করবেন না। 

কারণ  আল্লাহর কোরআনের বানী দিয়ে ঝাড়ফুক  আর বুজুর্গ ব্যক্তিদের পরীক্ষিত আমলের দ্বারা রোগ ব্যধি থেকে আল্লাহ  তায়ালা মুক্তি দান করে থাকেন এরকম হাজারো প্রমান রয়েছে। 

তাই বলছিলাম যারা অর্শ পাইলস পিস্টোলা ভগন্দর সমস্যায় ভুগছেন  তারা একজন আল্লাহ ওয়ালা বুজুর্গ ব্যক্তি কর্তৃক  বছরে একবার  মাত্র 
নির্দিষ্ট দিন ও তারিখে , 
নির্দিষ্ট  সময়ে পবিত্র কোরআনের নির্ধারিত কিছু সূরা ও দোয়া দরুদ পাঠ করে প্রস্তুত করা রুপার আংটি পড়া টি ব্যবহার করতে পারেন। 
আল্লাহ  ছাহে তো মুক্তি পেতে পারেন,। 

ব্যবহারের কিছু  নিয়মনীতি অনুসরণ করে  পরতে পারলে আশানুরূপ ফলাফল পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ।  

আংটি বিভিন্ন সাইজের আছে ছোট বড ও মাঝারী। 

যোগাযোগ  
এম এম আবদুল্লাহ ভূঁইয়া 
 ০১৮২৯৩১৮১১৪

বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর, ২০২২

শঙ্খ মনি বা শঙ্খ মুল এর উপকারিতা

শঙ্খমনি     

        এটি প্রাক তিক ভেষজ এর ঔষধী অনেক    উপকারিতা:  রয়েছে।

১. স্নায়ু শক্তি বৃদ্ধি করে। ২. শারীরিক ও যৌন দুর্বলতা কাটায়। ৩. হজম শক্তি বৃদ্ধি করে। ৪. পাতলা বীর্য ঘন করে। ৫. স্তন শুষ্কতা রোধ করে। ৬. উচ্চ বা নিম্ন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।  যাদের বীর্য একদমই পাতলা, এবং বীর্য উৎপাদন  পরিমাণে কম হয় , এর জন্য বেবি হয় না, তাদের জন্য শঙ্খমণি ও শিমুলের মূল বিশেষ কার্যকরী ভূমিকা রাখে ।  বির্য উতপাদক স্তবক ও শুক্রানু বৃদ্ধি কারক।

এটি একক ভাবে ও সেবন করা যায় কাচা ও চূর্ণ  তাছাডা অন্য ভেষজের সাথে মিশ্রণ করে ও সেবন করা যায়

সৌজন্যে
ভূঁইয়া ন্যাচরাল হার্বস এন্ড অর্গানিক ফুড সেন্টার বারৈয়ার হাট জোরারগঞ্জ মিরসরাই চট্টগ্রাম 
০১৮২৯৩১৮১১৪

বীর্য মনি বা বীর্য মূল এর উপকারিতা

বীর্যমনি গুড়ার উপকারিতা
এটি বীর্য মূল  বা বীর্য মনি গাছের নীচে জন্মানো এক প্রকার শীকড বা ফল প্রাকৃতিক ভেষজ চিকিৎসায় ব্যবহারীত হয়ে আসছে যুগ যুগ ধরে,

এটি ১০০% প্রাকৃতিক ভেষজ 
উপকারীতা ঃ 
বীর্যমনি গুড়া দ্রুত বীর্যপাত বন্ধে সাহায্য করে থাকে।
বীর্য যদি পাতলা হয়ে থাকে তাহলে বীর্যমনি গুড়া সেবনের মাধ্যমে পাতলা বীর্য গাড়ো করতে সহায়তা করে। শুক্রের গুনগত মান বৃদ্ধি করে।  

বীর্যমনি খাওয়ার ফলে সাধারণ  শারীরিক দুর্বলতা এবং মানসিক ও যৌন দুর্বলতা দূর হয়।তাছাডা এটি  কোষ্ঠকাঠিন্য ও গ্যাস সমস্যার সমাধান করতে কার্যকর। 

দৈনিক  ২ চা চামচ করে সকাল বিকাল  ভরা পেটে সেব্য। 

অধিক কার্যকরীতার জন্য  সম্ভব হলে 
বীর্য মনির সাথে শিমুল মূল, অশ্বগন্ধা, শতমূলী, তেঁতুল বীজ, তালমূল,আলকুশি বীজ, একত্রে মিশিয়ে ও সেবন করতে পারলে যৌন শিথিলতার অকল্পনীয়  উপকার সাধীত করবে ইনশাআল্লাহ। 

সেবনবিধিঃ 
এ মিশ্রণ টি  নিয়মিত  সকাল বিকাল  ২ চা চামচ  করে কুসুম গরম পানি অথবা কুসুম গরম দুধের সাথে মধু দিয়ে খেলে ভালো উপকার পাওয়া যায় ।

আর যদি বীর্য মূল  কাঁচা  সেবন করেন তাহলে একটি কাচাঁ পান এক চিমটি কালোজিরা ও  এক চামচ মধু  মিশিয়ে সেবন করতে পারেন।

সৌজন্যে 
ভূঁইয়া ন্যাচরাল হার্বস এন্ড অর্গানিক ফুড সেন্টার বারৈয়ার হাট 
01829318114





বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২

স্বপ্নে পাওয়া বুজুর্গ ব্যক্তির রুপার আংটি পড়া অর্শ পাইলস ভগন্দর ফিস্টুলা রোগের জন্য

একজন  তাহাজ্জুদ গুজার একজন আল্লাহ ওয়ালা আলেমে দ্বীন ও  বুজুর্গ ব্যক্তি স্বপ্নে আদিষ্ট হন যে, 
অর্শ পাইলস ভগন্দর ফিস্টুলা চিকিৎসায় বিশেষ  নিয়মে  রুপার আংটি পডা ব্যবহারের জন্য, 

স্বপ্নে  পাওয়া বুজুর্গ ব্যক্তির রুপার আংটি পড়া  ব্যবহার করে  আপনার ভাগ্য  যাচাই করতে পারেন। অনেক ভাগ্য বান ব্যক্তি এ আংটি পড়া  ব্যবহারের ফলে এ জটিল রোগ থেকে মুক্তি পেয়েছেন । 
আল্লাহ  মুক্তি দিয়েছেন।  বিভিন্ন  সাইজের আংটি পড়া দেয়া  হয়। 
প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন। শুভেচ্ছা  হাদিয়া মাত্র  ৫০১ টাকা মাত্র। 

যোগাযোগ  
০১৮২৯৩১৮১১৪

বৃহস্পতিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২

যৌন চিকিৎসায় মহা উপকারী পঞ্চ ভূত

যৌন চিকিৎসায় "পঞ্চভূত " 

কার্যকরীতাঃ  
যে কোন যৌন সমস্যার ,যেমন   টাইমিং উত্তেজনা কম,  দ্রুত পতন রোধক, স্তবক, উত্থান জনিত সমস্যা,  অল্প সময়ে নেতিয়ে পডা, হস্তমৈথুনের কারনে  সৃষ্ট   সমস্যা,  পেশাবের আগে পরে  ক্ষয় সমাধান করতে কার্যকর 

উপাদানঃ 
অর্শগন্ধা, শিমুল মুল, তালমুল  শতমুল ও  তেতুল বিচি চূর্ণ, 
এ ৫ টি উপাদান  কে কবিরাজী ভাষায় পঞ্চভূত  বলে থাকে এটি ভূতের  মত যৌন রোগের যে কোন সমস্যা সমাধান করতে পারেন তাই একে পঞ্চভূত  নামে অভিহিত করা হয়। 
 আরও অধিক কার্যকরীতার জন্য 
এর সাথে আরও ৫ / ৭ টি উপাদান মিশিয়ে তৈরী করা হয় এ পঞ্চ ভূত নামক  ভেষজ ঔষধ টি।  যেমন 
মিসরী দানা,(একে বীর্যমনি বা বীর্যমুল বলা হয়ে থাক।)  আলকুশি, তালমাখনা, কাতিলা গম ও মেথী 
শঙ্খ মনি , মাজু ফল, ইত্যাদি পরিমাণ মত 
মিশ্রণ করে পঞ্চভূত নামক ঔষধ টি তৈরী করা হয়  এতে করে যৌন রোগের আশ্চর্যজনক উপকার সাধিত হয় ইনশাআল্লাহ। 
তবে নিয়মিত  ২ মাস প্রয়োজন ভেদে ১২০-১৮০ দিন সেবন করতে পারলে আশ্চর্য জনক ফলাফল পাওয়া যাবে  ইনশাআল্লাহ। 

সেবনবিধিঃ  ২ চা চামচ মিশ্রণ  রাতে ১ গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে সেব্য  আবার সকালে ২ চা চামচ চূর্ণ 
১ গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রেখে রাতে সেব্য, খালি পেটে। তবে যাদের পেটের সমস্যা আছে তারা শুধু  মাত্র  পানিটা সেবন করুন  আর উচ্ছিষ্ট  ফেলে দিন।

বিঃদ্রঃ  আবস্থা বেশী জটিল  মনে হলে পরিমানটা বাডিয়ে সেবন করতে হবে। 
 
প্রয়োজনিয় ডোজ ১ মাসে ঃ   
দৈনিক  ২ চামচ সমান ১০ গ্রাম করে সকাল বিকাল   ২ বার ১০×১০  গ্রাম  করে সেবন করলে মাসে ৬০০ গ্রাম  লাগবে।
৫০০ গ্রাম  ১২৫০ টাকা
মূল্য কেজি ২৫০০ টাকা 
সার্ভিস সার্জ সহ।

বিঃদ্রঃ  
যাদের পেটের সমস্যা আছে  যেমন আই বি এস, পুরাতন আমাশয়, অর্শ পাইলস পিস্টোলা ভগন্দর  হ্যাবি গ্যাস্টিক আছে তাদের জন্য  আগে এ রোগের চিকিৎসা ও  নিতে  হবে।
নতুবা শুধু মাত্র  যৌন রোগের জন্য  চিকিৎসা নিলে ১০০% কাজ নাও করতে পারে।

যোগাযোগ  
সৌজন্যে  
ভূঁইয়া  ন্যাচরাল হার্বস এন্ড অর্গানিক ফুড সেন্টার বারৈয়ার হাট পৌরসভা, জোরারগঞ্জ মিরসরাই চট্টগ্রাম 

০১৮২৯৩১৮১১৪  শুধু মাত্র 
ওয়াতসাফ ইমু তে।

বৃহস্পতিবার, ৯ জুন, ২০২২

রঙ্গিলা রসুলের প্রকাশক কে হত্যাকারী শহীদ এলমুদ্দিন এর বীরত্ব গাঁথা ইতিহাস

১৯২০ সালে ব্রিটিশ ইন্ডিয়ায় রাসুলুল্লাহ (সা)কে অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করে একটা বই লেখা হয়। নাম 'রঙিলা রাসুল'। পন্ডিত চম্পুতি লাল ছদ্মনামে প্রসাদ প্রতাপ নামে এক ব্যাক্তি বইটি রচনা করে। ১৯২৩ সালে মহেষ রাজপাল নামে লাহোরের এক হিন্দু প্রকাশক লেখকের নাম গোপন করে বইটি প্রকাশের দায়িত্ব নেন। বইটি প্রকাশিত হলে মুসলমানদের ভেতর ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পরে। বিপুল বিক্ষোভের মুখে লাহোর সেশন কোর্টে মামলা উঠে। কোর্ট তাকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় দেয়। রাজপাল লাহোর হাইকোর্টে অ্যাপিল করে। শুনানি অনুষ্ঠিত হয় বিচারক দিলিপ সিং এর অধীনে। Indian Penal Court এর সেকশান ১৫৩ ধারা অনুযায়ী কোন ধর্মীয় নেতার বিরুদ্ধে সমালোচনা শাস্তিযোগ্য ছিলো না, সেই সমালোচনা যত অশ্লীল বা অনৈতিক হোক না কেন। ফলে লাহোর হাইকোর্টে রাজপাল নির্দোষ প্রমানিত হয়। রাজপাল কোন শাস্তি পেলো না৷ উপরন্তু সে পুলিশ পাহাড়া পেলো। পুরো ঘটনায় উপমহাদেশে মুসলমানরা প্রচন্ড আহত এবং ক্ষুব্ধ হয়। সর্বত্র বিক্ষোভ ছড়িয়ে পরে। সবাই রাজপালের ফাঁসি দাবি করছিলো। সেসম একজন কাঠমিস্ত্রীর তরুণ পুত্র ইলমুদ্দিন একটা সমাবেশের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি এক মাওলানার জ্বালাময়ী ভাষন শুনে  উদ্দিপ্ত হয়ে উঠেন এবং এই অপরাধের প্রতিকারের শপথ নেন। ৬ ই সেপ্টেম্বর ১৯২৯ সালে বাজারে গিয়ে এক রুপি দিয়ে একটা ছুড়ি কিনেন। ছুড়িটা কাপড়ে লুকিয়ে রেখে রাজপালের দোকানের বিপরীতে গাজি ইলমুদ্দিন দাঁড়িয়ে থাকেন। তিনি রাজপালকে চিনতেন না তাই পথচারীদের তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন। রাজপাল এলে একজন তাঁকে বললো যে রাজপাল দোকানে এসেছে। গাজি ইলমুদ্দিন সোজা দোকানে ঢুকে যান এবং রাজপালের বুকে ছুড়ি দিয়ে ফেড়ে ফেলেন। রাজপাল তৎক্ষনাৎ মারা যায়। ইলমুদ্দিন পালানোর চেষ্টা করেননি। তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। তারপর মিয়াওয়ালি জেলে পাঠানো হয়। আল্লামা ইকবাল (রহ) এর অনুরোধে জিন্নাহ তাঁর মামলা লড়েন। জিন্নাহ তাঁকে পরামর্শ দেন যে তিনি যেনো আদালতে বলেন প্রচন্ড প্ররোচনার শিকার হয়ে কাজটি তিনি করেছেন। কিন্তু গাজি ইলমুদ্দিন এমন বিবৃতি দিতে অস্বীকার করেন। জিন্নাহ মামলা হেড়ে যান। সেশন কোর্ট তাঁকে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করে। ১৯২৯ সালের ৩১ অক্টোবর তাঁকে ফাঁসি দেওয়া হয়। মৃত্যুর আগে তিনি খুবাইব (রা) এর অনুকরণে কেবল দুই রাকায়াত সালাত আদায়ের অনুমতি চান এবং তা আদায় করেন। তাঁর গলায় যখন ফাঁসির রশি পড়ানো হয় তখন তিনি উপস্থিত ব্যাক্তিদের বলেন, তোমরা সাক্ষী থেকো আমি রাজপালকে হত্যা করেছি রাসুলুল্লাহ (সা) এর সম্মান এবং মর্যাদা রক্ষার জন্য। তারা আমাকে ফাঁসি দিচ্ছে। আমি কালিমা পড়তে পড়তে আমার জীবন উৎসর্গ করছি। ইংরেজ ব্যাপক দাঙ্গার আশঙ্কায় ইলমুদ্দিনের লাস বিনা জানাজায় দাফন করে। আল্লামা ইকবাল দায়িত্ব নেন যে দাঙ্গা হবে না। ১৪ নভেম্বর ১৯২৯ সালে তাঁর লাস লাহোরে আনা হয়।  ওয়াজির খান মসজিদের ইমাম মুহাম্মদ শামসুদ্দিন তাঁর জানাজা পড়ান। 

মাওলানা মুহাম্মদ জাফর আলী খান বলেন, হায় কেবল আমি যদি এই সুউচ্চ মর্যাদা অর্জন করতে পারতাম। 

আল্লামা ইকবাল গাজি ইলমুদ্দিন (রহ) এর খাটিয়া বহন করেন এবং কবরে তাঁর শরীর মোবারক নামান। এসময় তিনি আবেগে কেঁদে ফেলে বলেন, এই অশিক্ষিত মানুষটা আমাদের শিক্ষিতদের ছাড়িয়ে গিয়েছে। 

এই ঘটনার সুদূরপ্রসারী ফলাফল ছিলো। এসময় পেনাল কোডে ধর্মীয় ব্যাক্তির অবমাননাকে অপরাধ সাব্যস্ত করে বিধান সংযুক্ত হয়। ১৯৩০ সালে এই ঘটনার পরে আল্লামা ইকবাল মুসলমানদের জন্য আলাদা দেশ দাবি করেন। 

টুইটার থেকে অনুদিত।